শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ট্রেনে সন্তান প্রসবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সবার  প্রশংসায় ডা.ফারজানা সিনোফার্মের আরো ৫৪ লাখ টিকা ঢাকায় তানোরে আমণখেতে পোকার আক্রমণ  দিশেহারা কৃষক যুবকদের প্রতি সরকারের বিমাতা সুলভ আচরণে বেকারত্ব বাড়ছে : হানিফ বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীনদের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে সাউন্ডবাংলা-পল্টনড্ডা সাহিত্যসংগঠকদের সূতিকাগার বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এর নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক গাবতলীর কাগইলে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিবাদসভা ও মানববন্ধন ১৭ ই সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমূহের সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাজারহাটে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ঘর পাচ্ছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী খলিল গাইবান্ধায় পাঠাগারের উদ্বোধন করলেন কবিতা খানম

সিলেট ও ঢাকা থেকে তারেকের কাছে অর্থ পাচার

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থানরত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে অর্থের জোগান দেওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে নজরদারি শুরু করেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। তারেক রহমান প্রায় ১৪ বছর লন্ডনে অবস্থান করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন; কিন্তু দৃশ্যত তার কোনো উপার্জন নেই।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার অর্থের অন্যতম জোগানদাতা; যাদের অধিকাংশই রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী এবং তারা সিলেট অঞ্চলের বাসিন্দা। গোয়েন্দারা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন মাধ্যমে কিছু তথ্য মিলেছে। এছাড়া ঢাকা থেকেও অর্থ পাচারের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।
গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানান, ‘লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মালিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়দের বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের নিবিড় নজরদারিতে আনার পাশাপাশি বিশেষভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। যাদের তারেক রহমানকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে, বাংলাদেশে ওইসব ব্যক্তি, তাদের আত্মীয়স্বজন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাব তলব করা হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নেবে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা তথ্যমতে কিছু সিলেটি ব্যবসায়ী ও তাদের আত্মীয়রা হুন্ডির মাধ্যমে তারেকের কাছে অর্থ পাঠান। তারেক রহমান আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাকে অর্থের জোগান দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ। তাই তার অর্থের জোগানদাতা ও পাচারকারীদের পুরো চেইন নিয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। এর মাধ্যমে তারেকের কাছে অর্থ প্রেরণকারী পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

অপর একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সিলেট অঞ্চলের বাসিন্দা লন্ডন প্রবাসী রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। এসব প্রবাসীর দেশে থাকা আত্মীয়স্বজনদেরও গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক মতাদর্শ, মনোনয়নের প্রত্যাশাসহ নানা কারণে যারা বাংলাদেশ থেকে তারেক রহমানকে অর্থ দেন তারা অর্থ পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে লন্ডন প্রবাসীদের আত্মীয়দের ব্যবহার করেন। এর আগে তারেক রহমানের অন্যতম অর্থদাতা হিসেবে বিএনপির এক নির্বাহী সদস্যের নাম আসে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone