শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানী থেকে প্রায় এক কোটি টাকার মাদক উদ্ধার নতুনধারা রংপুর-রাজশাহীর সমন্বয়কারী হলেন নিপা অসহায় রাজিয়ার পাশে দাঁড়ালেন সুজন লালপুরের সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার তানোরে বিনামুল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ ই-অরেঞ্জ বিনিয়োগ করা টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে বনশ্রীতে স্যামসাং অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন করলো জবাই বিলের নাম শুনলে আড়ৎদারদের মাছ কেনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে-খাদ্যমন্ত্রী বোচাগঞ্জে রাইস গ্রেইন ভেলু চেইন একটরর্স মিটিং নোয়াখালীরবেগমগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেফতার বাতিল হচ্ছে ২১০পত্রিকার ডিক্লারেশন,দেওয়া হবে নতুন ডিক্লারেশন ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেন এক ব্রিটিশ মুসলিম কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করোনায় আরও ৩৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩৭৬ যার ওপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন

মার কিছু হয়নি, ঘুমিয়ে পড়েছে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: রংপুর মর্ডান মোড় এলাকার শাম্মি বেগম (৩৫)। সাত বছরের ছেলে শুভকে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিক্সায় করে বাবার বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জে যাচ্ছিলেন। গত ৩০ জুলাই শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী প্রশিকা অফিসের সামনে ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি কাভার্ডভ্যান অটোক্সিাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়েন মা-ছেলে ও অটোক্সিা চালকসহ আরও তিনজন। রক্তাক্ত শরীর নিয়ে সড়কের পাশে পড়ে থাকা শাম্মিকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে যান গৃধারীপুর গ্রামের ফুলমিয়া ও মেহেদী হাসান গালিব। এসময় শাম্মি নিজের কথা ভুলে বারবার ছেলে শুভর খোঁজ করছিলেন। মা-ছেলেকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে শাম্মির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাম্মি বেগম যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন, সেসময়ও তিনি বলছিলেন, শুভ কোথায়- শুভর কি অবস্থা? তখন উদ্ধারকারী ফুল মিয়া ও গালিব শুভকে মায়ের কাছে নেয়। শুভ মাকে বলে মা এইতো আমি, আমি ঠিক আছি। আমার কিছু হয়নি। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরেই শুভর সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন শাম্মি বেগম। সন্তানের প্রতি মায়ের এ ভালোবাসা এবং সাত বছরের শিশুর সামনে মায়ের মৃত্যু নির্বাক করে দিয়েছে উপস্থিত সবাইকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বলেন মার কিছু হয়নি-ঘুমিয়ে পড়েছেন, তার চিকিৎসা চলছে। এসব বলে শুভকে শান্তনা দিচ্ছিলেন ওই দুই যুবক। পরে শুভর বাবা, বোন, নানা এসে রাতেই শাম্মির মরদেহ বাবার বাড়ি শিবগঞ্জে নিয়ে যান। শুভর বাবার নাম বাবু মিয়া। শ¤পা নামে পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত এক বোন আছে শুভর। ওই দুর্ঘটনায় শাম্মি বেগম ছাড়াও আরো তিনজন প্রাণ হারান। তারা হলেন সিএনজি চালক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের সবুজ মিয়া (৩৫), ভোলা জেলার নিয়ামুল হকের ছেলে জিন্টু মিয়া (৩০) ও রংপুরের হারাগাছ বাংলা বাজারের শাহ জালাল (৩৫)। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, শুক্রবার বিকালে যাত্রীবাহী একটি অটোরিক্সা পলাশবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। পথে পলাশবাড়ী উত্তরবাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রশিকা অফিসের সামনে রংপুরগামী পণ্যবাহী একটি কাভার্ডভ্যান অটোরিক্সাটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে চালকসহ চারজন নিহত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone