শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
করোনায় আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ১,১৯০ রাজারবাগ পীরের নামে ৬ হাজার একর পাহাড়, উৎস খোঁজার দাবি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার পাবে সহায়তা জনগণকে সতর্ক করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন এলেই শীতের অতিথি পাখিরা আসে, তারা ভোট চায়, কিন্তু তারা এলাকায় থাকেও না, উন্নয়ন করে না। তাই অতিথি পাখিরা ভোট চাইতে এলে তাদের ফিরিয়ে দেবেন। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোলার চরফ্যাশনে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্পর্কিত খবর আমাদের ১৬ কোটি মানুষ তালেবানদের কয়েক বছর খাওয়াতে পারেন: ডা. জাফরুল্লাহ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে। প্রতিটি মানুষের চেহারা বদলে গেছে। এখন আর ‘বাসি ভাত দেন’ এ কথা শোনা যায়না, ছেড়া কাপড় বা খালি পাে মানুষ দেখা যায় না। কুড়ে ঘর খুঁজে পাওয়া যায় না। এটাই হলো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। বিএনপির মধ্যরাতের সিরিজ মিটিংয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা বলে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না, কিন্তু কোনো সরকারের অধীনে কখনই নির্বাচন হয় না, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। রাত ১২টার যারা টেলিভিশনে বড় বড় কথা বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে সেটি কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সংবিধান অনুয়ায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। সুতারাং মিথ্যা স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। শেখ হাসিনা সরকার, এদেশে বার বার দরকার। ট্রেনে সন্তান প্রসবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সবার  প্রশংসায় ডা.ফারজানা সিনোফার্মের আরো ৫৪ লাখ টিকা ঢাকায় তানোরে আমণখেতে পোকার আক্রমণ  দিশেহারা কৃষক যুবকদের প্রতি সরকারের বিমাতা সুলভ আচরণে বেকারত্ব বাড়ছে : হানিফ বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীনদের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে সাউন্ডবাংলা-পল্টনড্ডা সাহিত্যসংগঠকদের সূতিকাগার বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এর নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক

জেনে নিন পুরুষেরা হঠাৎ শারীরিক মিলন বন্ধ করলে কি হয়

 

সাময়িক হোক আর স্থায়ীভাবেই হোক মিলন বন্ধ হয়ে গেলে অনেক বড় বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় নারী-পুরুষকে। ‘আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে পাঁচটি বড় সমস্যার কথা।

১. হঠাৎ করে সঙ্গীর সঙ্গে মিলন বন্ধ হলে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন দেখা দিতে পারে। অন্তত ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে এমনটা হয়ে থাকে। ‘আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন’–এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, নিয়মিত মিলন পুরুষাঙ্গকে সুস্থ রাখে। সপ্তাহে যারা অন্তত একদিন মিলিত হয়, তাদের ক্ষেত্রে আচমকা মিলন বন্ধ হয়ে গেলে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের সম্ভাবনা কিঞ্চিৎ কম, বা দেরিতে আসে।

২. মিলনের ফলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। অর্থাৎ, আচমকা মিলন বন্ধ হয়ে গেলে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় উদ্বেগজনক হারে।

৩. মিলনের ইচ্ছা ক্রমেই কমে যেতে বাধ্য হয়। দেখা গেছে, আচমকা মিলন বন্ধ হয়ে গেলে, প্রথম দিকে মিলনের একটা প্রবল ইচ্ছা জেগে উঠতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন না-থাকলে, তা ক্রমশ স্তিমিত হবে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে, কোন অবস্থায় মিলনে ছেদ আসছে? প্রবল মানসিক ঝড়ঝাপটা এলে মিলনের ইচ্ছা একেবারে গোড়া থেকেই লুপ্ত হতে পারে।

৪. সঙ্গীর সঙ্গে মিলন মনকে হালকা করে। রিল্যাক্সড থাকতে সাহায্য করে। স্বাভাবিকভাবেই মিলন না-থাকলে সেটি হারিয়ে যাবে জীবন থেকে।

৫. নিয়মিত মিলন মানুষের মস্তিষ্ক অনেক বেশি সচল থাকে। অর্থাৎ, বুদ্ধিতে শান পড়ে নিয়মিত। স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মিলনের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক প্রমাণিত হয়েছে একাধিক গবেষণায়। ফলে, আচমকা মিলন হারিয়ে গেলে মস্তিষ্কে ঘাটতি হতেই পারে।

চিরতরে সেক্স বন্ধ করে দিলে

যৌনতা আজকাল আর কোন রাখঢাকের বিষয় নয়। প্রেম ও যৌনতা- দুটি পরিপূরক শব্দ। ডিভোর্স, স্বামী অথবা স্ত্রীর অকাল মৃত্যু, প্রেমে বিচ্ছেদ এবং সঙ্গীর কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে হয়ত প্রতিনিয়ত যৌন মিলন সম্ভব হয় না। এ কারণে যৌনতা হারিয়ে যেতে পারে জীবন থেকে। এতে অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয় শরীর। মানসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চলে যায়। অনেক সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভালোও হয়। সেক্স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী পরিবর্তন আসে তা নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।

গবেষকরা বলছেন, চিরতরে সেক্স বন্ধ করে দিলে যে কোন মানুষের শারীরিক সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শরীর থেকে মনে এই রোগ ছড়াতে সময় লাগে না। টেনশন কমাতে এবং বিষন্নতা এড়াতে সেক্স খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে, সেটিও জানাচ্ছেন গবেষকরা। সেক্স মানুষের আত্মবিশ্বাস মজবুত করতে সহায়তা করে। যদি কোন কারণে প্রাত্যহিক জীবন থেকে যৌনতা হারিয়ে যায়, বিপদে পড়তে পারেন আপনি। কিভাবে, চলুন জেনে নিই।

বিষণ্ণতা: সেক্স মানুষের বিষণ্ণতা কমায়। যৌনতার মাধ্যমে শরীরে সুখের হরমোন বৃদ্ধি পায়। কোন কারণে যদি জীবন থেকে যৌনতা হারিয়ে যায়, আপনি বিষণ্ণতায় ভুগতে বাধ্য হবেন। আপনার মন বেশিরভাগ সময় খারাপ থাকবে এবং কোন কাজে মনোযোগ দিতে ব্যর্থ হবেন।

যৌনতাড়িত: নিয়মিত সেক্স করার অভ্যাস একবার বন্ধ হলে কামনা-বাসনার লাগাম ছাড়িয়ে যায়। তবে অনেকে মনে করেন, সেক্স হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে মিলিত হওয়ার বাসনা কমে যায়। এই ধারণা সঠিক নয়। গবেষণা বলছে, যৌনতা বন্ধ হলে শারীরিক চাহিদা লাগামহীন হয়ে যেতে পারে।

হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি: বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, সেক্স করলে হৃদয় ভালো থাকে। হরমোনের নিঃসরণ যথাযথ পরিমাণে হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন সেক্স বন্ধ থাকলে হৃদযন্ত্রে নেতিবাচক সমস্যা তৈরি করতে পারে। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে বা ট্রেডমিলে দৌড়ালেও লাভ হয় না।

ভবিষ্যত জটিলতা: অনেক লম্বা বিরতির পর আপনি যখন আবারও সেক্স করার ইচ্ছে পোষন করবেন, তখন আপনার মনকে শান্ত রাখা খুব জরুরি। আগের অভিজ্ঞতা এতে আপনাকে সেক্স করতে বাঁধা দিতে পারে। যেটি আপনাকে যৌন সুখের চেয়ে বেশি বিষণ্ণ করে তুলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

জনগণকে সতর্ক করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন এলেই শীতের অতিথি পাখিরা আসে, তারা ভোট চায়, কিন্তু তারা এলাকায় থাকেও না, উন্নয়ন করে না। তাই অতিথি পাখিরা ভোট চাইতে এলে তাদের ফিরিয়ে দেবেন। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোলার চরফ্যাশনে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্পর্কিত খবর আমাদের ১৬ কোটি মানুষ তালেবানদের কয়েক বছর খাওয়াতে পারেন: ডা. জাফরুল্লাহ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে। প্রতিটি মানুষের চেহারা বদলে গেছে। এখন আর ‘বাসি ভাত দেন’ এ কথা শোনা যায়না, ছেড়া কাপড় বা খালি পাে মানুষ দেখা যায় না। কুড়ে ঘর খুঁজে পাওয়া যায় না। এটাই হলো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। বিএনপির মধ্যরাতের সিরিজ মিটিংয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা বলে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না, কিন্তু কোনো সরকারের অধীনে কখনই নির্বাচন হয় না, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। রাত ১২টার যারা টেলিভিশনে বড় বড় কথা বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে সেটি কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সংবিধান অনুয়ায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। সুতারাং মিথ্যা স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। শেখ হাসিনা সরকার, এদেশে বার বার দরকার।

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone