শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগর উপকূলে মিয়ানমার থেকে ট্রলারে করে আনা সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা সহ আটক-৪ লন্ডনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষিকা খুন যে কারণে ডিভোর্স হচ্ছে ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি নাগা-সামান্থার রাজধানী থেকে প্রায় এক কোটি টাকার মাদক উদ্ধার নতুনধারা রংপুর-রাজশাহীর সমন্বয়কারী হলেন নিপা অসহায় রাজিয়ার পাশে দাঁড়ালেন সুজন লালপুরের সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার তানোরে বিনামুল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ ই-অরেঞ্জ বিনিয়োগ করা টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে বনশ্রীতে স্যামসাং অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন করলো জবাই বিলের নাম শুনলে আড়ৎদারদের মাছ কেনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে-খাদ্যমন্ত্রী বোচাগঞ্জে রাইস গ্রেইন ভেলু চেইন একটরর্স মিটিং নোয়াখালীরবেগমগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেফতার বাতিল হচ্ছে ২১০পত্রিকার ডিক্লারেশন,দেওয়া হবে নতুন ডিক্লারেশন ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেন এক ব্রিটিশ মুসলিম

কাশ্মীরে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির আগ্রাসন

সময়ে সমস্ত দক্ষিন এশিয়ার নজর যখন ছিল ভারতের আসামের দিকে যেখানে ৩১ আগস্ট নাগরিকপঞ্জির চূরান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে সেখান থেকে প্রেক্ষাপট পরিবর্তিত হয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ এখন কাশ্মীরের বেহাল অবস্থার দিকে।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নির্দেশ জারির মধ্য দিয়ে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির সরকার বাতিল করে দিয়েছে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা।অবশ্য বিজেপির সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার প্রথমে রাজ্যসভা ও পরে লোকসভায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।

কিছুদিন পূর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইমরান খানের মধ্যকার একটি আলোচনা ভারত তথা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে একটি বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। গত মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলে সেখানে কাশ্মীর সংকট নিরসনে ট্রাম্পকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন তিনি। পরে ট্রাম্প আবার ইমরান খানকে উদ্দেশ্য করে বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাকে বিতর্কিত কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

বরাবরের মতই কেন্দ্রীয় সরকার ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু পরে বিজেপি এমন কিছু করতে চেয়েছে যাতে করে পাকিস্তান তথা পুরো বিশ্বকে এমন একটা ধারনা দেয়া যায় যে তারা দৃঢ়ভাবে মার্কিন মধ্যস্থতার বিরোধী এবং এতে তাদের এককাট্টা অবস্থান।ফলে বস্তুত জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে সাংবিধানিক বিশেষ অবস্থার পরিবর্তন করার ব্যাপারে অমিত শাহের দৃঢ় মনোভাব এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারনে মোদীর বিপদাপন্ন ঘটনাবলি ও অবস্থা বিজেপিকে এ ব্যাপারে অগ্রসর হওয়ার জন্য আরো বেশি তৎপর করেছে বলে মনে হচ্ছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কাশ্মীরে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং তা ক্রমান্বয়ে বাড়ছিল। সকল যোগাযোগব্যবস্থা সহ স্কুল কলেজ,ইন্টারনেট এমনকি ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছিল শ্রীনগরে এবং স্থানীয় নেতা সহ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহমুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। ফলে কাশ্মীর অধ্যুষিত এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল সে সময়ে। তখনই কিছু আগাম ধারনা করতে পেরেছিল বিশেষজ্ঞরা যে কাশ্মীরের পটপরিবর্তন হতে যাচ্ছে ভারতীয় আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে। পরিশেষে গত সোমবার অমিত শাহ এক ঘোষণার মধ্য দিয়ে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করেন যা একসময় মুসলিম অধ্যুষিত ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল।

কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের প্রতীক হিসেবে ছিল ভারতীয় সংবিধানের দু’টো ধারা ৩৭০ ও ৩৫-এ। সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার ফলশ্রুতিতে স্বাভাবিক ভাবে ৩৫- এ ধারাও লুপ্ত হয়েছে। কারন দু’টোই ভারতীয় সংবিধানের সম্পূরক ধারা ছিল।ধারাগুলো লুপ্ত হওয়ার কারনে কাশ্মীর স্বায়ত্তশাসন থেকে এখন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হবে।অর্থ্যাৎ সংবিধানের ধারাগুলো ভারতের অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও জম্মু- কাশ্মীরের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। প্রতিরক্ষা,পররাষ্ট্র, অর্থ ও যোগাযোগ ছাড়া আইন প্রনয়নে কিম্বা অন্য কোন বিষয়ে জম্মু-কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্র সরকারের।যদি তা একান্তই করতে হয় তাহলে তা কাশ্মীর রাজ্যের মতামত নিতে হতো।

শুধুমাত্র ৩৭০ ধারা ছাড়াও জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য থেকে ভেঙে আলাদা করা হয়েছে লাদাখকে।এখন থেকে দু’টি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ।লাদাখে কোন বিধানসবা থাকবে না অবশ্য জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে বিধানসভা বহাল থাকবে।কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরের পূর্নাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।ফলে এখন থেকে এর পরিচিতি হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পরিচালনা করবেন দুই লেফটেন্যান্ট গভর্নর।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হওয়ার পর কাশ্মীর পাকিস্তান নাকি ভারতের হবে তা নিয়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার নানান সময়ে পুরাদস্তুর যুদ্ব এবং অনেক সংঘাত ও সহিংসতা প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ব।কাশ্মীর মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা বলে কাশ্মীরকে পাকিস্তান তাদের অন্তর্ভূক্ত করার জোর দাবি ছিল।কিন্তু জম্মু কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিং বিশেষ মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসন দেয়ার শর্তে ভারতের সাথে যুক্ত হয়। জওহরলাল নেহরুর আদেশক্রমে জম্মু-কাশ্মীরে ভারত থেকে আলাদা বিধানে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং ‘ইন্ডিয়া ইউনিয়ন’ হিসেবে পূর্নাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন লাভ করে আসছিল ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের মাধ্যমে যা শেখ আব্দুল্লাহ এর মধ্য দিয়ে ১৯৫০ সালে করা হয়েছিল।

কাজেই ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের ফলে মূলত ভারতের সাথে কাশ্মীর অধ্যুষিত লোকজনের মধ্যকার সম্পর্কের একধরনের টানাপোড়ন এবং দূরত্ব ক্রমান্বয়ে পূর্বের অবস্থা থেকে বৃদ্ধি পাবে যা উভয়ের মধ্যে সংঘাত ও সহিংসতাকে উসকে দিবে এবং এর ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।এই ঘটনার ফলে কাশ্মীরে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উত্থান হতে পারে যা সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিবে। আর তাছাড়া কাশ্মীরী জনগনদের কাছে স্থানীয় রাজনীতিবিদ কিম্বা নেতারা পুরোপুরি অকার্যকর হবে ফলে কাশ্মীরী এলাকায় একধরনরে নেতৃত্বের শূন্যতা সৃষ্টি হবে যা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সচেষ্ট হবে না। যদিও কেন্দ্রের শাসন জারি থাকবে কিন্তু কেন্দ্রের সরকারের ” ওভার ডমিন্যান্ট” এর ফলে যেকোন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণাধীন এর বাইরে থাকবে বলে মনে হচ্ছে।

এ ছাড়া সংবিধানের ৩৫–এ অনুচ্ছেদও বাতিল করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শুধু স্থানীয় কাশ্মীরীদের তাদের নিজ রাজ্যে চাকরি পাওয়ার ও জমি কেনার অধিকার আছে। অনুচ্ছেদটি বাতিল হওয়ায় এখন ভারতের যে কেউ কাশ্মীরে জমি কিনতে ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। ফলে সরকারের এই পদক্ষেপ কাশ্মীরীদের জনমিতির ওপর আঘাত হানবে এবং তা তাদেরকে আত্মপরিচয়ের ক্ষেত্রে শঙ্কায় ফেলবে।ফলে কাশ্মীরে নতুন করে ভারতের আগ্রাসন ও উপস্থিতি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও অরাজকতা ছড়াবে যেখানে নানান ভাবে জুলুম,অত্যাচার এবং দুঃখ-কষ্ট পোহাতে হবে কাশ্মীরীদের।

কাশ্মীরে ২ ভাগ হিন্দু,জম্মুতে ৬৩ ভাগ এবং লাদাখে ১২ ভাগ হিন্দু এবং গড়ে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে ৩৬ ভাগ হিন্দু। মূলত রাজ্যটি মুসলিম অধ্যুষিত।৩৫-এ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে সেখানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতীয় হিন্দুদের প্রবেশাধিকার ক্রমান্বয়ে বাড়বে। কাজেই একসময় কাশ্মীরে মুসলমানরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। তাছাড়া কাশ্মীরীদেরও আশঙ্কা, যদি কাশ্মীরে অ-কাশ্মীরিদের আসতে এবং ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়, তবে শিগগিরই এটি মুসলিম সংখ্যালঘু অঞ্চলে পরিণত হবে।মুসলমানদের পাশাপাশি অমুসলিমরাও ভারতীয় সহিংসতার স্বীকার হবে কারন ভারত তাদের জাতীয়তাবাদকে সামনে রেখে তাদের স্বার্থের পেছনে ছুটতে ভুল করবে না। আর তাছাড়া সেখানে বৌদ্বের উপস্থিতিও চোখে পরার মতো। তবে বর্তমানে বিজেপির যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিষবাষ্প পৃথিবীব্যাপী ছড়াচ্ছে তাতে করে নিঃসন্দেহে মুসলিমরাই তাদের উগ্রতার প্রথম লক্ষ্য থাকবে।

ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএস( রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ) সংগঠনের অনেকেই মনে করেন, হিন্দু প্রধান জম্মু এবং বৌদ্ধ প্রধান লাদাখকে পাশে রেখে কাশ্মীরকে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভবপর যদি কাশ্মীরে অমুসলমান হিস্যা বাড়ানো যায়।কাজেই আরএসএসের গর্ভে জন্ম নেয়া বিজেপির অমিত শাহ-মুদি জুটি সেদিকটাতেই ফোকাস রাখবে এখন পর্যন্ত সেরকমটাই পর্যবেক্ষিত হয়েছে।

কাশ্মীর ভূখন্ডটি তিনটি দেশের নিয়ন্ত্রনে।লাদাখসহ জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের নিয়ন্ত্রনে। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে কাশ্মীরের পশ্চিম অংশ আর চীনের নিয়ন্ত্রনে আছে উত্তরের অংশ।কাশ্মীরে যুদ্ধবিরতি বলবৎ হয় ১৯৪৮ সালে,তবে পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহার করতে অস্বীকার করে। তখন থেকেই কাশ্মীর কার্যত পাকিস্তান ও ভারত নিয়ন্ত্রিত দুই অংশে ভাগ হয়ে যায়।পরে পাকিস্তান চীনকে কাশ্মীরের উত্তরের অংশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।সেই থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তান, ভারত ও চীন – এই তিন দেশের মধ্যে ভাগ হয়ে আছে।

গত দু’দিন আগে অমিত শাহ বলেছিল জীবন দিয়ে হলেও পুরো কাশ্মীরকে নিজেদের দখলে নিবে এবং ভারতের অখন্ডতা রক্ষা করবে।ফলে কাশ্মীর নিয়ে ভারত যে কর্তৃত্ববাদী শাসনের খেলায় মত্ত তার প্রভাব শুধু কাশ্মীরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না তা ছড়িয়ে পরবে সমগ্র দক্ষিন এশিয়ায় বিশেষ করে চীন এবং পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিটি পরতে পরতে।ইতিমধ্যে ইমরান খানের সরকার নানান প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এবং চীন ভারতের এই অগনতান্ত্রিক আচরণের বিরোধিতা করে বিবৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব কিছুটা পরিলক্ষিত হবে।তবে আমাদের দেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতার নৈতিক জায়গা থেকে বাংলাদেশের সরকারের উচিৎ কাশ্মীরী লোকদের পাশে দাঁড়ানো। অন্যথায় কিছুদিন পর ৩১ আগস্ট যখন আসামে নাগরিকপঞ্জীর চূরান্ত তালিকা প্রকাশ করবে তখন বাংলাদেশও ভারতের বিজেপির জাতীয়তাবাদী আগ্রাসনের স্বীকার হবে।

দীর্ঘদিন থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমিত শাহ- মোদি জুটির পরিকল্পনা ছিল সংবিধানের এই ধারা বাতিল করবার। এমনকি ২০১৯ সালের নির্বাচনে মোদি সরকারের ইশতেহারে ভারতীয় জনগনের প্রতি তা প্রতিশ্রুতি ছিল।যা বিশেষভাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং ভোটের রাজনীতিতে বিজেপির জন্য অনেকটা সহায়ক হয়েছিল।

বিজেপির অমিত শাহ -মোদি জুটির উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েমের রূপ হলো জয় শ্রী রাম ও কাশ্মীর ইস্যু।উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠছে তা দক্ষিন এশিয়ার রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।বিশেষ করে কাশ্মীর অধ্যুষিত এলাকায় সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চরম মাত্রায় বিশ্ব প্রত্যক্ষ করবে ফিলিস্তিন- ইসরায়েল ঘটনার মতো করে যা কিনা একধরনের ধূম্রজাল তৈরী করবে দক্ষিন এশিয়ার রাজনীতিতে।

লেখক,
মোঃ শাহ জালাল
শিক্ষার্থীঃ চতুর্থ বর্ষ
ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone