শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
করোনায় আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ১,১৯০ রাজারবাগ পীরের নামে ৬ হাজার একর পাহাড়, উৎস খোঁজার দাবি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার পাবে সহায়তা জনগণকে সতর্ক করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন এলেই শীতের অতিথি পাখিরা আসে, তারা ভোট চায়, কিন্তু তারা এলাকায় থাকেও না, উন্নয়ন করে না। তাই অতিথি পাখিরা ভোট চাইতে এলে তাদের ফিরিয়ে দেবেন। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোলার চরফ্যাশনে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্পর্কিত খবর আমাদের ১৬ কোটি মানুষ তালেবানদের কয়েক বছর খাওয়াতে পারেন: ডা. জাফরুল্লাহ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে। প্রতিটি মানুষের চেহারা বদলে গেছে। এখন আর ‘বাসি ভাত দেন’ এ কথা শোনা যায়না, ছেড়া কাপড় বা খালি পাে মানুষ দেখা যায় না। কুড়ে ঘর খুঁজে পাওয়া যায় না। এটাই হলো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। বিএনপির মধ্যরাতের সিরিজ মিটিংয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা বলে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না, কিন্তু কোনো সরকারের অধীনে কখনই নির্বাচন হয় না, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। রাত ১২টার যারা টেলিভিশনে বড় বড় কথা বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে সেটি কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সংবিধান অনুয়ায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। সুতারাং মিথ্যা স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। শেখ হাসিনা সরকার, এদেশে বার বার দরকার। ট্রেনে সন্তান প্রসবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সবার  প্রশংসায় ডা.ফারজানা সিনোফার্মের আরো ৫৪ লাখ টিকা ঢাকায় তানোরে আমণখেতে পোকার আক্রমণ  দিশেহারা কৃষক যুবকদের প্রতি সরকারের বিমাতা সুলভ আচরণে বেকারত্ব বাড়ছে : হানিফ বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীনদের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে সাউন্ডবাংলা-পল্টনড্ডা সাহিত্যসংগঠকদের সূতিকাগার বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এর নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক

এই ৫ রাশির মেয়েরাই স্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে সেরা, দেখুন বিস্তারিত

রাশিচক্রের ব্যাপারে কমবেশি সকলেই জানেন। একই সাথে চেনেন নিজের রাশিটিকেও। কেউ কন্যা রাশির জাতক তো কেউ আবার কর্কট রাশির জাতিকা। কেউ জন্মেছেন মকর রাশিতে তো আবার কেউ জন্মেছেন মেষে। রাশি যেটাই হোক, সকল রাশির জাতক-জাতিকাদের আছে ভিন্ন ভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। কারো রাগ বেশি তো আবার কারো মাথা খুব ঠাণ্ডা। কারো মন ফুলের মত কোমল হলে কারো আবার পাথরের মত কঠিন।

রাশিগত কারণে চারিত্রিক পার্থক্য থাকার ফলেই সকলের সাথে সকলের সম্পর্ক স্থায়ী বা সুন্দর হয় না। কার সাথে ব্যবসা ভালো জমবে, কে হবে ভালো বন্ধু, আর কেই-ই বা হবে দারুণ মনের মানুষ- সবকিছুই আগাম পূর্বাভাস পাওয়া আছে রাশিফলের বিচারে।

চলুন, আজ দেখে নিই রাশিফলের বিচারে কোন রাশির জাতিকারা হয়ে থাকেন দারুণ স্ত্রী। এমন কাউকে বিয়ে করলে নিঃসন্দেহে বদলে যাবে জীবন। না, আমরা নই। জ্যোতিষীরা বলেছেন!

বৃষ (২০ এপ্রিল থেকে ২১ মে): এই রাশির নারীরা দারুণ আত্মবিশ্বাসী ও একরোখা। একই সাথে ভালোবাসার পুরুষকে বারবার পরীক্ষা করতেও তারা ভালোবাসেন। এদের সাথে সংসার করা খুবই কঠিন, কেননা তারা সর্বদা ভালোবাসা ও সময় দাবী করে। কিন্তু কোন পুরুষ যদি ধৈর্য নিয়ে সঙ্গে থেকে যান ও বৃষ নারীর ভালোবাসার পরীক্ষায় পাশ করতে পারেন, তাহলে জীবন হয়ে উঠবে স্বর্গ।

গভীর ভালোবাসা কখনোই প্রতারণা করেন না, পরকীয়া তাঁদের কাছে ঘৃণিত। অন্যদিকে প্রতারিত হলে নেন কঠোর প্রতিশোধ। স্বামী-সংসার নিয়েই তাঁদের জীবন আবর্তিত, ভালোবাসেন আদর্শ সংসার গড়ে তুলতে। বৃষ নারীরা চমৎকার রাঁধতে জানেন এবং মিষ্টি রুচিবোধের জন্য অনন্যা। প্রেমের ক্ষেত্রে তারা অত্যন্ত রোমান্টিক। সন্তানপালন সহ সব দিকেই পটু অসম্ভব বুদ্ধিমতী এই জাতিকারা।

কর্কট (২২ জুন হতে ২২ জুলাই): এই রাশির জাতিকারা হয়ে থাকেন শান্তিপ্রিয়। সংসার ও জীবনে সবকিছু টিপটপ রাখতে তারা খুব ভালোবাসেন। তারা ঠাণ্ডা মাথার, বড় বিপদেও উতলা হয়ে পড়েন না বা সঙ্গীকে ছেড়ে যান না। সঙ্গীর দেখাশোনা করা, অনেক বড় অন্যায়কেও ক্ষমা করতে পারা কর্কট স্ত্রীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাই একদম নিশ্চিত, মজবুত দাম্পত্য চাইলে কর্কট কন্যারা হচ্ছে সেরা। কর্কট নারী স্ত্রী হিসেবে সহজ ও সাবলীল।

কন্যা (২৩ আগস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর): দেখে মনে না হলেও কন্যা রাশির জাতিকারা দারুণ স্ত্রী হয়ে থাকেন। সুখে-দুঃখে সবসময়ে তারা সঙ্গীর পাশে থাকেন। সঙ্গীর সাথে সমানে সমানে সংসারের সব দায়িত্ব পালন করে থাকেন। একদিকে তারা যেমন দায়িত্বশীল ও নরম মনের মা, অন্যদিকে আনন্দপ্রিয় স্ত্রী। বিপদের সময়ে সঙ্গীর পাশে থাকা তাঁদের বড় বৈশিষ্ট্য এবং এরা কখনো সঙ্গীকে আঘাত করে কথা বলেন না। সকলের সামনে সঙ্গীর সম্মান বৃদ্ধি করাতেই তাঁদের আনন্দ।

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ অক্টোবর): এই রাশির জাতিকারা আমুদে ও সামাজিক। ঘর ও বাহির দুটোই সামাল দিতে তাঁদের জুড়ি নেই। তারা মিষ্টভাষী, ফলে স্বামীর যোগ্য সঙ্গিনী হয়ে থাকেন। তারা জানেন কীভাবে সমস্যার সময়ে মাথা ঠাণ্ডা রেখে সমাধানের চেষ্টা করতে হয়।

সঙ্গীর বাজে ব্যবহারেও তারা ধৈর্যহারা হন না, অনেক বড় অপরাধও ক্ষমা করে দিতে পারেন। তুলা জাতিকাদের কাছে অর্থের চাইতে ভালোবাসা বড়। সঙ্গীর কাছ থেকে তারা পর্যাপ্ত সম্মান ও ভালোবাসা আশা করেন তারা আর সেটা পেলেই সন্তুষ্ট তুলা জাতিকারা। সন্তানদেরও একই মূল্যবোধ দিয়ে বড় করে তোলেন।

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর থেকে ২২ নভেম্বর): একটু মুখচোরা বা পিছিয়ে পড়া পুরুষের জন্য বৃশ্চিক নারীরা দারুণ স্ত্রী প্রমাণিত হয়ে থাকেন। এরা স্বনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসী। কোন কিছুর জন্যেই কারো ওপরে নির্ভর করা পছন্দ করেন না। ফলে স্বামীর ওপরে কোন দিক দিয়ে তারা বোঝা নন। তারা আবেগী ও সৌন্দর্যপ্রিয়, কিন্তু জানেন পৃথিবীকে কীভাবে সামাল দিতে হয়। সংসারের রণভূমিতে সঠিক কৌশলের অভাব তাঁদের কখনো হয় না। সন্তানদের সঠিক পরিবেশে বড় করতে তারা সিদ্ধহস্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

জনগণকে সতর্ক করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন এলেই শীতের অতিথি পাখিরা আসে, তারা ভোট চায়, কিন্তু তারা এলাকায় থাকেও না, উন্নয়ন করে না। তাই অতিথি পাখিরা ভোট চাইতে এলে তাদের ফিরিয়ে দেবেন। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোলার চরফ্যাশনে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্পর্কিত খবর আমাদের ১৬ কোটি মানুষ তালেবানদের কয়েক বছর খাওয়াতে পারেন: ডা. জাফরুল্লাহ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে, ভোট সোমবার বিনা ভোটেই জয়ের পথে ডা. প্রাণ গোপাল হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে। প্রতিটি মানুষের চেহারা বদলে গেছে। এখন আর ‘বাসি ভাত দেন’ এ কথা শোনা যায়না, ছেড়া কাপড় বা খালি পাে মানুষ দেখা যায় না। কুড়ে ঘর খুঁজে পাওয়া যায় না। এটাই হলো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। বিএনপির মধ্যরাতের সিরিজ মিটিংয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা বলে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না, কিন্তু কোনো সরকারের অধীনে কখনই নির্বাচন হয় না, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। রাত ১২টার যারা টেলিভিশনে বড় বড় কথা বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে সেটি কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সংবিধান অনুয়ায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। সুতারাং মিথ্যা স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। শেখ হাসিনা সরকার, এদেশে বার বার দরকার।

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone