রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘লকডাউনে শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা’ ৪১তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ! উত্তীর্ণ হয়েছেন যারা… তানোরে ছিন্নমুল মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ শিবপুরে মৃত্যুর ২ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন বেশি দামে সার বিক্রি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রি করায় ৩ ব্যবসায়ীর জরিমানা অভয়নগরে মসজিদে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুদান প্রদান ঐতিহাসিক ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে নির্মূল কমিটির ওয়েবিনার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের অবদান অনন্যসাধারণ বরিশালে যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনকারী গ্রেফতার বরিশালে শ্রমিক দূর্ভোগের প্রতিবাদে বাসদের বিক্ষোভ দুমকিতে সেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিউল বারি বাবুর মৃত্যু বার্ষিকী পালিত। মধুখালীতে ওএমএস এর চাল ও আটা বিক্রয় কার্যক্রম শুরু ফরিদপুর চিনিকলের সড়ক মরণ ফাঁদ বরিশাল থেকে ঝুঁকি নিয়ে রাজধানীতে ছুটছে মানুষ ব্যর্থতার দায় এড়াতে হেলেনা নাটক : মোমিন মেহেদী   জেড এইচ.সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি মোড়েলগঞ্জের কৃতি  সন্তান লোকমান হাকিম

মাসিক দেরিতে হয় কেন?

সাধারণত প্রতি ২৮ থেকে ৩৫ দিন পর পর একজন নারীর পিরিয়ড বা মাসিক হয়ে থাকে। ১২ বছর থেকে ৫৫ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে এমনটিই হয়ে থাকে।
প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর নিয়মিত ও সময়মতো মাসিক হওয়াটা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। তা যদি অনিয়মিত হয়ে পড়ে, তার মানে হয়তো শারীরিক কোনো সমস্যা আছে।
এ ক্ষেত্রে কোনো অসুস্থতা শরীরে ভর করেছে কিনা বা জীবনচর্চায় কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস যুক্ত হয়েছে কিনা, তার দিকে নজর দেয়া উচিত। পিরিয়ড দেরি হওয়ার পেছনে সাধারণত যে বিষয়গুলো দায়ী তা জেনে রাখুন-
মাসিক কতটা দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলা যায়?
বেশিরভাগ নারীর মাসিকের চক্র একই থাকে। তবে এক সপ্তাহ দেরি হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই ধরা যায়। যেমন একজন নারীর মাসিক হয় ২৫ দিন পর পর। কোনো এক মাসে ৩০ দিন বা ৩১ দিন পর তার মাসিক হতেই পারে। আট দিন বা তার বেশিদিন দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলে গণ্য করতে পারেন।
দেরি হওয়ার কারণ
বেশ কিছু কারণে পিরিয়ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে বা দেরি হতে পারে। যেমন-
গর্ভাবস্থা: পিরিয়ড দেরি হলে প্রথমেই নিশ্চিত হোন আপনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন কিনা।
বয়স: টিনেজ বয়সী ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হল হরমোন।
স্ট্রেস: লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।
আর্লি প্রেগন্যান্সি লস: একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর ভারী রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।
কম ওজন: ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে।
ফাইব্রয়েডস: জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হল ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।
হরমনাল বার্থ কন্ট্রোল: জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন- পিল, প্যাচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড লেট হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।
স্বাস্থ্য সমস্যা: মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড লেট হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড লেট হতে দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone