সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’ বাসায় মিললো মদ, মডেল মৌ বলছেন ‘ডিবি এনেছিল’ এবার মোহাম্মদপুরে মদসহ মডেল মৌ আটক হেলেনার পর জননেত্রী পরিষদের দর্জি মনির এবার গ্রেপ্তার পিয়াসার বাসায় যা মিললো মডেল পিয়াসা আটক প্রায় ৯০ শতাংশ শ্রমিক কাজে যোগ দিয়েছেন নাটোরের সাংসদ শিমুলের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা চেয়ে  রাবি অধ্যাপকের জিডি বেগমগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই তৌহিদ স্ট্যান্ড রিলিজ! ‘লকডাউনে শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা’ ৪১তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ! উত্তীর্ণ হয়েছেন যারা… তানোরে ছিন্নমুল মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ শিবপুরে মৃত্যুর ২ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন বেশি দামে সার বিক্রি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রি করায় ৩ ব্যবসায়ীর জরিমানা অভয়নগরে মসজিদে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুদান প্রদান

ভাগ্নে প্রেমে মজলো মামী”

উজ্জ্বল রায়■ (৬,নভেম্বর) ২৭৪: \ প্রায়ই আমরা একটা কথা মুখে মুখে শুনতে পাই যে হিন্দুধমের্র দেবতা আছেন, এমনকি অনেকে বলে। রাধা কেন আয়ান ঘোষ কে বিয়ে করেছিলেন? রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কাহিনি কম বেশি সকলেরই জানা। স্বামী থাকা সত্ত্বেও রাধারানী কৃষ্ণের সঙ্গে প্রেমের সম্পক। আর সেই প্রেমকথা চিরকালীন অমরত্ব লাভ করে। যেখানে আমাদের সমাজ বিবাহীতা নারীর অন্যপুরুষে প্রেমের সম্পর্ককে মান্যতা দেয় না, সেখানে এই সম্পর্ক কী করে অমর প্রেম কাহিনি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেল? অনেকেই এই রাধারানী ও শ্রীকৃষ্ণের নিস্কাম প্রেম কে ব্যঙ্গ করে বলেনথথ “থাকতে গৃহে আপন ভাগ্নে প্রেমে মজলো মামী” পুরাণ-কথা অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ আসলে নারায়নের অষ্টম অবতার এবং রাধারানী লক্ষ্মীর রূপ। রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ভক্ত ও ভগবানের এক অসাধারণ ভাব যুক্ত প্রেমেরই প্রতিচ্ছবি।রাধা-রূপী লক্ষ্মী যদি কৃষ্ণের সঙ্গীনি হতেই মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়েছিলেন, তবে কেন কৃষ্ণকে আয়ানকে বিয়ে করেছিলেন তিনি? আয়ানের পূর্ন পরিচিতি-উপকথায় পাওয়া যায় আয়ানের আসল নাম অভিমন্যু। গোকুলের কাছে জারত নামে একটি গ্রামে তার বাস। পেশায় তিনি ছিলেন দুধের ব্যবসায়ী। তার বাবার নাম গোলা, মা জটিলা এবং বোন কুটিলা। সম্পর্কে কৃষ্ণের পালিকা মা যশোদার তুতো ভাই ছিলেন আয়ান। তার সঙ্গে রাধার বিয়ের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন কৃষ্ণের পালক পিতা নন্দ মহারাজ। কালী-ভক্ত আয়ান পুজো-অর্চনা নিয়েই থাকতেন। অন্য কোনও বিষয়ে তার বিশেষ আগ্রহ ছিল না। আয়ান নপুংসক ছিলেন। লক্ষ্মীর অবতার রাধা যিনি কৃষ্ণের চিরকালীন সঙ্গী, কেন আয়ানকে বিয়ে করেন? পূর্বজন্মে আয়ান একজন তপস্রী ছিলেন। কঠোর তপস্যা করেন বিষ্ণুর দর্শণের জন্য। বিষ্ণু তার তপস্যায় মুগ্ধ হয়ে তাকে দর্শণ দেন। দর্শণ পেয়ে তিনি খুবই খুশি হন। ভগবান তাকে বর দিতে চাইলে তিনি বলেন “আমি আপনার প্রিয়া কে স্ত্রী হিসেবে পেতে চাই”। ভগবান বলেন তুমি অন্য যে কোনো বর চাও আমি দেবো। তিনি বলেন আমি অন্য বর চাইনা। বিষ্ণু অন্তর্হীত হলেন। এরপর তিনি আরও কঠোর তপস্যা করলেন। নিজের চারপাশে আগুন জ্বেলে আরও কঠিন সাধনা করেন। ভক্তের ডাকে ভগবান কে আসতেই হল, আবারও দর্শণ দিলেন তাকে, এবং বর প্রার্থনা করতে বললেন। সে একই বর প্রার্থনা করলেন। তখন বাধ্য হয়ে নারায়ণ তথাস্তু বললেন, এবং তাকে এও বললেন যে পরের জন্মে তিনি রাধা-রূপী লক্ষ্মীকে স্ত্রী হিসেবে পাবেন, কিন্তু সেই জন্মে আয়ান নপুংসক হবেন। তিনি লক্ষী কে ঘরে বাঁধতে পারবেন কিন্তু কোনো দিন মন পাবেন না। তার মন জুড়ে কেবলই বিষ্ণু অবতার শ্রীকৃষ্ণ থাকবেন। রাধা আয়ানকে বিয়ে করলেও তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর কোনো সম্পর্ক ছিল না। (তবে এক্ষেত্রে আরেকটি কথা বলা আবশ্যক আয়ান ঘোষ নিজের কামনা বাসনা মেটানোর জন্য রাধারানী কে পেতে চাননি। তিনি প্রকৃতপক্ষে একজন বৈষ্ণব। রাধারানী কে নিজের ঘরে পূজো করতেই তার এহেন ইচ্ছা) ## কার্তিক মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে শ্রীবলরাম ও শ্রীকৃষ্ণ পৌগ- বয়স প্রাপ্ত হন। কৃষ্ণ নিজে গোচারণ করার জন্য বারবার নন্দ মহারাজের নিকট প্রার্থনা করছিলেন। কিন্তু মাতা যশোমতী এতে দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করতেন। অবশেষে গোপাষ্টমী দিনে নন্দমহারাজ গ্রামবাসীদের ডেকে একটি উৎসব আয়োজন করেন। তখন একসাথে কৃষ্ণ-বলরামাদি গোপবালকদের শৃঙ্গ, বেত্র, বিষাণ, বাঁশী ও গো-বন্ধন রজ্জু প্রদান করেন ও পুরোহিতদের দ্বারা গাভীদের পূজা করেন। মাতা যশোদা কৃষ্ণের কপালে তিলক শোভিত করে দেন এবং কৃষ্ণকে গোষ্ঠে যেতে অনুমতি প্রদান করেন। মেয়েদের গোষ্ঠে যেতে নেই। কিন্তু কৃষ্ণচন্দ্র এদিন প্রথম গোষ্ঠে বেরিয়েছেন। তাই শ্রীমতি রাধারাণীও সুযোগ খুঁজছেন কিভাবে বের হওয়া যায়। গোপীকারা দেখলেন যে শ্রীমতি রাধারাণীকে দেখতে অনেকটা সুবলের মতো। তাঁরা রাধারাণীকে সুবলের মতো ধুতি-পোশাক পরিয়ে এবং নিজেরাও গোপবালকদের মতো সজ্জিত হয়ে কৃষ্ণের সাথে মিলিত হলেন। তাই এদিন শ্রীমতি রাধা ঠাকুরাণী ও অন্যান্য সখীরা তাদের শ্রীচরণ দর্শন দান করেন। ভক্তদের উচিত এদিনে গাভীদের শিং গুলো হলুদ দিয়ে রং করা, কপালে সিঁদুরের ফোঁটা দেওয়া ও গায়ে-হাতের ছাপ দেওয়া। এদিন গাভীদের উত্তম ঘাস ও ফলমুল সেবন করিয়ে, তাঁদের পরিক্রমা এবং গোশালা মার্জন করা উচিৎ। আজপবিত্রগোপাষ্টমীতিথিঃ আমি সমস্ত গোপ এবং গোপীদের স্বাগত জানাই, যদিও এটা বলা কঠিন কে গোপ আর কে গোপী, অনেক গোপীই গোপবেশ ধারণ করায়, তাঁদের চিনতে পারা খুবই দুরূহ ব্যাপার, কেউ বলতে পারে না। তো আজই সেই দিন, যেদিন নন্দ মহারাজ ঠিক করলেন যে, কৃষ্ণ এখন বড় দায়িত্বের জন্যে প্রস্তুত। এর আগে কৃষ্ণ গো-বৎসদের দেখাশোনা করতেন এবং আজকের দিনেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে গাভীদের দেখাশোনা করার অনুমোদন পান। শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, গোবর্ধন পূজার মত, গোপাষ্টমীতেও আমরা গাভীদের পূজা করি। শুধুমাত্র আমরা নই, শুধুমাত্র দেবতারা নন, এমনকি কৃষ্ণ স্বয়ং। তিনি গাভীদের পূজা করেছিলেন, তাদের যতœ নিয়েছিলেন। এই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বোঝা যায়, এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।#

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone