শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রেস ক্লাবের বাতিল হলো যে ১০ দৈনিক পত্রিকার ডিক্লারেশন নীরবতারও নিজস্ব অর্থ এবং আলাদা মাত্রা রয়েছে: শ্রাবন্তী জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের দাবি চাকরির বয়স ৩২ বছর করার দাবি জিএম কাদেরের জিয়াউর রহমান সেক্টরের অধিনায়ক, সেক্টর কমান্ডার নয়: প্রধানমন্ত্রী লালপুরে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা ওজোন স্তর ধ্বংসে উন্নত রাষ্ট্রগুলো দায়ী: সবুজ আন্দোলন বগুড়ায় ট্রাক উল্টে প্রাণ গেলো শ্রমিকের তানোর আওয়ামী লীগে ফের প্রাণচাঞ্চল্য বাঘায় পদ্মায় ডুবলো  নৌকা তলিয়ে গেল বাড়ির মালামাল দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লাভ বাংলাদেশ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে : মিজানুর রহমান চৌধুরী গাইবান্ধায় কোটি টাকা মূল্যের ৬টি তক্ষক উদ্ধার লালপুরে সাবেক ইউপি সদস্যের পা ভেঙ্গে দিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য

গোপালগঞ্জে শতাধিক স্কুল ঝুঁকিপূর্ণ : জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাসসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলছে

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকির মধ্যে ক্লাসসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলছে। সদর উপজেলার খাটরা নিচুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, চারটি কক্ষের তিনটিই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একটি কক্ষ পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সেখানে কোনো ক্লাস হচ্ছে না। স্কুল ভবনের ছাদ, ফ্লোর, পিলার, বিম, দেয়ালে অসংখ্য ফাটল দেখা দিয়েছে। ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। পিলারের রড বের হয়ে গেছে।
শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর বলেন, ওই ভবনটি ২০১৪ সালে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। তার পরও বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়ায় পাঁচ বছর ধরে এ ভবনেই চলছে পাঠদান।
ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়শী বলে, কখন যে স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ে! ভয় লাগে। তার পরও আমরা স্কুলে আসি।
সুমন, সেতু, সুমন্ত বলে, তাদের ক্লাসরুমের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ে। ক্লাসে বসে থাকতে ভয় লাগে। তাছাড়া স্কুলের খেলার মাঠে পানি। বর্ষায় মৌসুমে মাঠে খেলতে পারে না তারা। বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব ও ভাল স্যানিটেশনের ব্যবস্থা নেই বলেও তাদের অভিযোগ।
কোটালীপাড়া উপজেলার ফেরধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম জাকির হোসেন বলেন, তাদের বিদ্যালয়ের দুটি টিনশেড প্রায় ৩০ বছর আগে বানানো হয়েছে। দুটিরই চালের টিন ছিদ্র হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই ক্লাস রুমে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীরা ভিজে যায়।
শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর বলেন, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ৩০টি স্কুল চিহ্নিত করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব স্কুলে নতুন ভবন নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। কিছু স্কুল মেরামত করলেই কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে সে কাজটা কখন শুরু হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর সাহা আরো জানান, জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ১২৫টি স্কুলের তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ স্কুল ভবনকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone