শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন জেএসডি সভাপতি আ স ম রব বিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১ তানোরে ভেজাল কীটনাশকে কৃষকের কপাল পুড়লো  রিশিকুলকে মডেল ইউপিতে রুপান্তর করতে চাই, চেয়ারম্যান টুলু ইভ্যালির গ্রাহকদের অর্থ ফিরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: টিক্যাব ডেঙ্গু দুর্যোগ প্রতিরোধে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ : রোগী কল্যাণ সোসাইটি দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সাইকেল পার্কিং এর সুব্যবস্থা রাখতে হবে সরকারি দখলকৃত জায়গা উচ্ছেদ করে স্থায়ীভাবে বৃক্ষরোপণের দাবি জানালো সবুজ আন্দোলন ৯০ কৃষককে কৃষি উপকরণ দিলো রাবির শিক্ষার্থীরা গণমানুষের মুক্তি সংগ্রামে সাহসী নেতা জেবেল : রীবন বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ইউএনও’কে বিদায় সংবর্ধনা দক্ষিণাঞ্চলে কমেছে করোনা বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাংবাদিক মাসুদের বিরুদ্ধে সেই দুর্ণীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের জিডি প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চীনের হারবিন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির চুক্তি নোয়াখালীতে বরযাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু-১, আহত-১২

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নতুন ঘর পেলো ৩৫ পরিবার

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সরকারি অর্থায়নে তৈরি পাকা বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৩৫টি দরিদ্র পরিবারকে তাদের নিজেদের জমিতে বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থ বছরে উপজেলায় মোট ৩৫টি পরিবারকে পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। গত সপ্তাহে তাদের কাছে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিজের জমিতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ায় এ পরিবারগুলোকে এখন আর রাত-বিরাতে অন্যের বাড়িতে ঘুমাতে হবে না। ঝড়-বৃষ্টিতে দৌড়ে পালাতে হবে না আশ্রয়ের খোঁজে। প্রত্যেক পরিবারের জন্য দালান ঘর, পাকা পায়খানা, রান্নাঘর ও বারান্দাসহ বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। নতুন বাড়ি পাওয়ার আগে অনেকেই পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ে ছিলেন। এখন নতুন বাড়ি পেয়ে খুশি তারা।
কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের শ্মাশান ঘাটের পাশের বাসিন্দা গুরুপদ দাসের ছেলে অসিম কুমার দাস পেশায় মুচি। বাবার রেখে যাওয়া চার শতক জমি তার শেষ সম্বল। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মোট চার জনের সংসার। জুতা সেলাই করে যা আয় হয় তা দিয়ে বাড়ি বানানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আগে ঝড় বৃষ্টিতে অন্যের ঘরে আশ্রয় নিতে হতো তাকে। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় দুটি শোয়ার ঘরসহ বারান্দা, রান্নাঘর ও পাকা পায়খানা পাওয়ায় এখন তার মাথা গোঁজার স্থায়ী ব্যবস্থা হয়েছে।
উপজেলার বেথুড়ী গ্রামের অন্ধ ভিক্ষুক ৬২ বছর বয়সী অহিদ মোল্যার শেষ সম্বল বাবার রেখে যাওয়া তিন শতক জমি। মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে একটি টিনের ছাপড়া দিয়ে কোনো রকমে জীবনযাপন কর ছিলেন। বৃষ্টি হলে রান্না বন্ধ থাকতো।
উপজেলার পুইসুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আফতাব মোল্যার স্ত্রী ফরিদা বেগম নিঃসন্তান। স্বামী মারা যাওয়ার সময় সাড়ে তিন শতক জমি রেখে গেছেন। সরকারি অর্থায়নে সেখানে নিজের বাড়ি হওয়ায় তাকে এখন আর অন্যের ঘরে বসবাস করতে হয় না।
উপজেলার ব্যাসপুর গ্রামের বিধবা মরিয়ম বেগমের তিন সন্তান। মানুষের বাড়িতে কাজ করেন তিনি। সন্তানদের দিকে চেয়ে শত অভাবেও বিক্রি করেননি শশুরের ভিটা। সেই ভিটায় এখন পেয়েছেন স্থায়ী আশ্রয়।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, শুধু কাশিয়ানী নয় জেলায় এবার ১৯৩টি পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় ঘর দেওয়া হয়েছে। যাদের জায়গা আছে কিন্তু ঘর নাই সরকার তাদের এসব ঘর বানিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। আগামীতে আরও ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলোও দরিদ্র লোকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone