শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানী থেকে প্রায় এক কোটি টাকার মাদক উদ্ধার নতুনধারা রংপুর-রাজশাহীর সমন্বয়কারী হলেন নিপা অসহায় রাজিয়ার পাশে দাঁড়ালেন সুজন লালপুরের সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার তানোরে বিনামুল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ ই-অরেঞ্জ বিনিয়োগ করা টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে বনশ্রীতে স্যামসাং অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন করলো জবাই বিলের নাম শুনলে আড়ৎদারদের মাছ কেনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে-খাদ্যমন্ত্রী বোচাগঞ্জে রাইস গ্রেইন ভেলু চেইন একটরর্স মিটিং নোয়াখালীরবেগমগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেফতার বাতিল হচ্ছে ২১০পত্রিকার ডিক্লারেশন,দেওয়া হবে নতুন ডিক্লারেশন ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেন এক ব্রিটিশ মুসলিম কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করোনায় আরও ৩৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩৭৬ যার ওপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন

গাইবান্ধায় সদর হাসপাতালে বেহাল অবস্থা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষকে ডেঙ্গুর কবল থেকে মুক্তি করার লক্ষ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মধ্য দিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সে সময়ও গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল ভয়ঙ্কর সব জীবাণু দ্বারা নিজেদের আবৃত করে রেখেছে। পাশাপাশি ময়লার স্তুপের পাহাড় গড়ে তুলেছে দিনের পর দিন। এই হাসপাতালের নোংরা ও অপরিষ্কার টয়লেটে যেতে হয় নাক চেপে। হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনদের প্রাকৃতিক কাজে যেতে হয় মসজিদ অথবা নিকটস্থ আতœীয় স্বজনের বাসায়। এই হাসপাতালের ডায়রিয়া রোগীরা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসারত। নর্দমা ও উচ্ছিষ্টের গন্ধে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা বলেন, এখানে দুর্গন্ধে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। জেলা হাসপাতাল এমন ভয়ানক নোংরা পরিবেশ এর আগে আর দেখিনি। কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে থাকা সম্ভব নয়, সেখানে একজন রোগী কিভাবে চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ হবে। হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের বি-১৮ নম্বর বেডে ভর্তি হওয়া একজন রোগির অভিভাবক বলেন এখানে যে ভয়ানক নোংরা ও বিষাক্ত আবর্জনাযুক্ত ড্রেনের দুর্গন্ধের কারণে কোন কিছুই মুখে দিতে পারছি না। বাড়ি থেকে কেউ আসলে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। এখানে আসার পর থেকে রোগীর সাথে আমি নিজেও কয়েকবার বমি করেছি। হাসপাতালের নিচতলার পুরুষ ওয়ার্ডের বারান্দায় সারিবদ্ধভাবে মেঝেতে বিছানা করে শুয়ে আছে অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা। পাশে চোখের দৃষ্টি দিলেই দেখা যায় ভয়ংকর একটি নর্দমা। রোগ-জীবাণুর অন্যতম অভয়াশ্রম। ইমারজেন্সি রুমের দৃশ্য আরও ভয়াবহ। কিছু বহিরাগত ও আউটসোর্সিং এ ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ওয়ার্ড বয়দেরকে বিভিন্ন ধরনের ড্রেসিং, সেলাই, হাত-পা ভেঙে যাওয়া রোগী’র চিকিৎসা দিতে দেখা গেল। সেই ইমারজেন্সি রুমের বারান্দার বেডে পায়ের কেটে যাওয়া অংশে সেলাইয়ের কাজ করছে বহিরাগতরা। রোগী যে বেডে শুয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে ঠিক সেই বরাবর ফেলে দেয়া হয় রক্তাক্ত গজ, কাপড়, তুলা। রোগীর ড্রেসিং এর ব্যান্ডেজ ও অন্যান্য ব্যবহৃত বর্জ্য দিয়ে ভরে গেছে এই ওয়ার্ডের চারপাশ। গাইবান্ধা পৌরসভা ও সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ছাড়াও আরও ৬টি উপজেলর মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো এই হাসপাতালটি। কিন্তু হাসপাতালের এমন বেহালদশায় তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ এর বিধিমালা অনুযায়ী হাসপাতাল-ক্লিনিকসহ সকল চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের বিধান রয়েছে। কিন্তু গাইবান্ধার সকল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলো অলিতে-গলিতে গড়ে উঠলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল বর্জ্য প্রক্রিয়া, পরিশোধন ও ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর ও যুগোপযোগী কোন ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone