শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন জেএসডি সভাপতি আ স ম রব বিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১ তানোরে ভেজাল কীটনাশকে কৃষকের কপাল পুড়লো  রিশিকুলকে মডেল ইউপিতে রুপান্তর করতে চাই, চেয়ারম্যান টুলু ইভ্যালির গ্রাহকদের অর্থ ফিরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: টিক্যাব ডেঙ্গু দুর্যোগ প্রতিরোধে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ : রোগী কল্যাণ সোসাইটি দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সাইকেল পার্কিং এর সুব্যবস্থা রাখতে হবে সরকারি দখলকৃত জায়গা উচ্ছেদ করে স্থায়ীভাবে বৃক্ষরোপণের দাবি জানালো সবুজ আন্দোলন ৯০ কৃষককে কৃষি উপকরণ দিলো রাবির শিক্ষার্থীরা গণমানুষের মুক্তি সংগ্রামে সাহসী নেতা জেবেল : রীবন বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ইউএনও’কে বিদায় সংবর্ধনা দক্ষিণাঞ্চলে কমেছে করোনা বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাংবাদিক মাসুদের বিরুদ্ধে সেই দুর্ণীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের জিডি প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চীনের হারবিন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির চুক্তি নোয়াখালীতে বরযাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু-১, আহত-১২

গাইবান্ধায় একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় একসঙ্গে তিন সন্তানের মা হয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছে শাহিদা বেগম নামে এক দরিদ্র গৃহবধূ। জানা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুকঘোড়াবান্ধা গ্রামের কানিপাড়ার নুরুল ইসলামের পুত্র একলাছ মিয়া প্রায় ১২ বছর আগে একই উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের বরকাতপুর গ্রামের মধ্যপাড়ার আজহার আলীর মেয়ে শাহিদা বেগমকে বিয়ে করেন। একলাছ বলেন গত ১৬ অক্টোবর তার স্ত্রী শাহিদা বেগমের প্রসবব্যথা শুরু হলে বাড়িতেই এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এ সময় শাহিদা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গাইবান্ধা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলট্রাসনো করার পর চিকিৎসক তার গর্ভে আরো দুই সন্তানের অস্থিত্ব খুঁজে পান। পরে ওই রাতেই সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শাহিদার দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। গত ২৪ অক্টোবর বৃহ¯পতিবার তিন সন্তানকে নিয়ে ক্লিনিক থেকে বাড়ি ফেরেন শাহিদা বেগম। মা ও সন্তানেরা বর্তমানে সুস্থ আছে। এখলাছ মিয়া দিনমজুরের পাশাপাশি মাঝে মধ্যে ভাড়ায় রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভাব-অনটনের সংসারে ৩ সন্তান জন্মগ্রহণ করায় বিপাকে পড়েছে দিনমজুর বাবা একলাছ। অর্থাভাবে তাদের সঠিক ভরণপোষণ করতে পারছে না হতদরিদ্র পরিবারটি। তাছাড়াও প্রতিদিন বাচ্চাদের দুধের পেছনে ৬৫০ টাকা খরচ হচ্ছে, যা জোগান দেয়া বাবার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। দরিদ্র পরিবারটি নবজাতকদের বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্য কামনা করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone