শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানী থেকে প্রায় এক কোটি টাকার মাদক উদ্ধার নতুনধারা রংপুর-রাজশাহীর সমন্বয়কারী হলেন নিপা অসহায় রাজিয়ার পাশে দাঁড়ালেন সুজন লালপুরের সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার তানোরে বিনামুল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ ই-অরেঞ্জ বিনিয়োগ করা টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে বনশ্রীতে স্যামসাং অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন করলো জবাই বিলের নাম শুনলে আড়ৎদারদের মাছ কেনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে-খাদ্যমন্ত্রী বোচাগঞ্জে রাইস গ্রেইন ভেলু চেইন একটরর্স মিটিং নোয়াখালীরবেগমগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেফতার বাতিল হচ্ছে ২১০পত্রিকার ডিক্লারেশন,দেওয়া হবে নতুন ডিক্লারেশন ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেন এক ব্রিটিশ মুসলিম কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করোনায় আরও ৩৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩৭৬ যার ওপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন

কবিতা  কুষ্টিয়ার থেকে বাংলাদেশের নাম করন

কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন জুয়েল
বাংলাদেশ খোকসা কুষ্টিয়া
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীনের আগে নদীয়া জেলায় কুষ্টিয়া শহরে বসে
বন্ধুবান্ধব, সাহিত্যক, বিশিষ্ট‍্য জনদের নিয়ে ভাবছিলেন মোদের দেশের নাম কি নাম করন দেব
লালন ফকির বলেন মুজিব দেশের নাম পদ্মা-মেযনা হশে  চলে ,
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে হেঁসে বঙ্গ দিলেই হবে
মনসুর আলী বলে তখন সবুজ বাংল দিলে ভালো হয়…?
মীর মোশারফ বল্লেন তখন সোনার বাংলা দিলে ভালো হয়..!
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন বাংলাদেশ নামটি আমি মনে নিয়েছি গেঁথে
দেশ স্বাধীন হলে মোদের দেশের নাম বাংলাদেশই হবে
 ইতিহাস যখন বাংলাকে নিয়ে করছে কানা কানি
তুমি আমি মহাশুখে করছি বাহাদুরি  ।
স্বাধীন দেশের ইতিহাস  নাই অনেকেরই  জানা
কবিতার মাঝে আমি কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন জুয়েল লিখে গেলাম কিছু কথা ,
বাংলা স্বাধীনের অনেক আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
 কুঁড়ি থেকে ফুল হতে যাওয়া অনুষ্ঠানে  ঘোষনা দিয়েছিল এই দেশটির নাম
দিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের নাম পশ্চিম বঙ্গে বসে কুষ্টিয়া শহর থেকে ।
১৯৬৯ সালের  ৫ ডিসেম্বরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে
 আয়োজিত এক স্মরণসভায় ‘বাংলাদেশ’ নামটি চূড়ান্ত করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
বাংলাদেশ দিবস’ বা ‘বাংলাদেশের নামকরণের দিবস’ হিসেবেই পালিত হয়।
ইতিহাস বলছে, ১৯৬৯ সালের পাঁচ ডিসেম্বরে মৌখিকভাবে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের নাম হয়ে যায় বাংলাদেশ।
এরপর থেকে কাগজে-কলমে পূর্ব-পাকিস্তান লিখলেও মুখে সবাই কুষ্টিয়ার এই অঞ্চলকে বাংলাদেশই বলতেন।
 সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগের বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য
তৎকালীন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ
বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাইকো মোদের জানা
‘বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত  স্মরণসভায়  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  মোদের দেশটির নাম  স্বাধীনের পর নাম বাংলাদেশ রাখা হবে।
এমনকী সেদিন স্লোগানও স্লোগানে বলেছিলেন আমার দেশ, তোমার দেশ-বাংলাদেশ, বাংলাদেশ
 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও পূর্ব-পাকিস্তান বলতেন না, তিনি সবসময় ‘পূর্ব-বাংলা’ বলতেন
 ১৯৫৮ সালের একটি ঘটনায় ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয় ,
‘ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের পর ১৯৪৭ সালে বঙ্গ-প্রদেশ ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হয়
সে সময় পাকিস্তানিরা পূর্ব-বাংলার নাম দিতে চাইলো পূর্ব-পাকিস্তান
 এই নিয়ে সে সময় থেকেই বিতর্ক শুরু হয় বাংলা আর হচ্ছেনা বাংলা আমার বাংলাদেশ ।
 আন্দোলনের আন্দোলনে ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলা দেশের নাম
১৯৫৭ সালে করাচিতে পাকিস্তানের গণপরিষদের তরুণ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান
বক্তৃতা দেওয়ার সময় ‘পূর্ব-পাকিস্তান’ নামটির প্রতিবাদ করে , পূর্ব-বাংলা নামের একটি ইতিহাস লাগাম টেনে ধরে ,
ঐতিহ্য হারিয়ে বাংলাকে যদি পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতেই হয়
 তাহলে বাংলার মানুষের জনমত যাচাই করতে চাই
 তারা নামের এই পরিবর্তন মেনে নেবে মেনে নেবে কিনা- সেজন্য গণভোট করতে হবে ।
বিবিসি’র ওই রিপোর্টে প্রকাশ  করা হয়, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ’ শব্দের উৎপত্তিগত ব্যাখ্যা দেন তাদের কাছে
যেখানে ‘বাংলা’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত শব্দ ‘বঙ্গ’ থেকে
আর্যরা কুষ্টিয়াকে ‘বঙ্গ’ বলে এই পশ্মিম অঞ্চলকে অভিহিত করতো বলে ইতিহাস থেকে জানা যায় ,
তবে বঙ্গে বসবাসকারী মুসলমানরা এই ‘বঙ্গ’ শব্দটির সঙ্গে ফার্সি ‘আল’ প্রত্যয় যোগ করে।
এতে নাম দাঁড়ায় ‘বাঙাল’ বা ‘বাঙ্গালাহ্’
আল’ বলতে জমির বিভক্তি বা নদীর ওপর বাঁধ দেওয়াকে বোঝায়  ।
ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের উদ্ধৃতি দিয়ে সৈয়দ আনোয়ার হোসেন কই
‘মুসলমান শাসনামলে বিশেষ করে ১৩৩৬ থেকে ১৫৭৬ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমলে
 ১৫৭৬ সালে মোঘলরা বাংলা দখল করার পরে এই অঞ্চলটি বাঙাল বা বাঙালাহ নামেই পরিচিতি হই
সোহরাওয়ার্দীর ওই স্মরণসভায় এই নাম দেওয়ার কারণ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন ,
 ১৯৫২ সালে সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলা ভাষা থেকে-বাংলা
এরপর স্বাধীন দেশের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে-দেশ
এই দুটি ইতিহাস ও সংগ্রামকে এক করে ‘বাংলাদেশ’ নামকরণ করা হয়
এ সম্পর্কে ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইয়ে বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণার উদ্ধৃতি হয়ে আছে ।
 এক সময় এই দেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে বাংলা কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকু চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে
. বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কোনও কিছুর নামের সঙ্গে বাংলা কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় কি সহজে
.জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম পূর্ব-পাকিস্তান এর পরিবর্তে হবে শুধুমাত্র বাংলাদেশ  ,
ধর্মভিত্তিক ধারণা রোয়ার মিডিয়া’ নামে একটি অনলাইন ভিত্তিক ম্যাগাজিনের আট ডিসেম্বর, ২০১৯ এ প্রকাশিত
 মোদের বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ নামটি যেভাবে আমাদের হলো’
শীর্ষক ‘বাঙালির ইতিহাস’ বইয়ে ড. মোহাম্মদ হাননান, ১৭৬৮-১৭৮৮ সালের মধ্যে গোলাম হোসায়ন সলীম জইদ পুরী রচিত ‘হয়
রিয়াজ-উস-সালাতীন’ গ্রন্থ হতে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি উৎপওি স্থল হয়  ।
 মহাপ্লাবন পরবর্তী সময়ে হযরত নূহ (আঃ) তার স্ত্রী, সন্তানসহ ৮০ জন নর-নারী আল্লাহর হুকুমে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েন
সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করেন, এবং তাদের বংশধররাই পৃথিবীকে নতুনভাবে সাজান। নূহ (আঃ) এর এক পুত্র হাম
এশিয়া অঞ্চলে বংশবৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত
তারই এক পুত্র হিন্দের নামানুসারে ‘হিন্দুস্থান’, সিন্ধের নামানুসারে ‘সিন্ধু’, আর বঙ্গের নামানুসারে ‘বঙ্গদেশ’ নামের উৎপত্তি হয় ,
আবার বঙ্গ নামকরণের পেছনে হিন্দুদের পৌরাণিক তত্ত্বও বিদ্যমান
 পৌরাণিক মতে, বঙ্গের নাম এসেছে রাজা বালির পুত্রের নাম থেকে
রাজা বালির এক পুত্র অঙ্গ শাসন করতেন পশ্চিমবঙ্গ, কুষ্টিয়া খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল ।
আরেক পুত্র বঙ্গ শাসন করতেন ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ত্রিপুরা অঞ্চল
সর্বশেষ পুত্র পুন্ড্র শাসন করতেন উত্তরবঙ্গ ও আসাম অঞ্চল
এই পুত্রের নামানুসারেই তাদের শাসনকৃত অঞ্চলগুলো অঙ্গ, বঙ্গ ও পুন্ড্র নাম লাভ করে
 ভৌগলিক ব্যাখ্যাবঙ্গ’ থেকে ‘বাংলা’ নামটি কিভাবে এলো সবাই জানুন কবিতা পড়ে  ,
সে প্রসঙ্গে সম্প্রতি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস
 বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ‘বাংলা’ শব্দের উচ্চারণ হয়েছে ‘বঙ্গ’ থেকেই  ।
যেটি মূলত ছিল একটি সংস্কৃত শব্দ। আর্যরা নাকি অঞ্চলকে ‘বঙ্গ’ হিসেবে অভিহিত করতো
পরবর্তীতে এই অঞ্চলে বসবাসকারীরা বঙ্গ-এর সঙ্গে ফার্সি ‘আল’ প্রত্যয় যোগ হয় ‘বাঙাল’ বা ‘বাঙ্গালাহ্’ হয়
শত জলপনা কলপনা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নাম দিয়েগেন শেষে কুষ্টিয়া শহরে বসে……..!!

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone